চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে দুই সন্তানের জননী সোনিয়া আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর ম/র/দে/হ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সবুর মার্কেট এলাকার আনোয়ার শাহ মাজারসংলগ্ন নিজ বসতবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ম/য়না/ত/দ/ন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম/র্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সোনিয়া আ/ত্ম/হ/ত্যা করেছেন। তবে তাঁর পরিবারের দাবি, ঘটনাটি রহস্যজনক এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা উচিত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনিয়া আক্তার সন্তানদের নিয়ে নিজ বাড়িতে ছিলেন। দুপুরে পরিবারের অন্য সদস্যরা খাবার খেতে এসে শয়নকক্ষে তাঁকে ওড়না পেঁচি/য়ে ঝু/ল/ন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ/ত ঘোষণা করেন। পরে ম/র/দে/হ আবার বাড়িতে নিয়ে আসা হলে খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ম/র/দে/হ উদ্ধার করে ময়/না/ত/দ/ন্তে/র জন্য পাঠায়।
নি/হ/তে/র শাশুড়ি জানান, সকালে দুই জায়ের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। পরে তিনি বিষয়টি মিটিয়ে দেন। এরপর কোনো একসময় সোনিয়া ওড়না পেঁ/চিয়ে আ/ত্ম/হ/ত্যা করেন বলে তাঁদের ধারণা। তবে ঘটনাটি কেউ প্রত্যক্ষ করেননি। নি/হ/তে/র স্বামী নুর ইসলাম একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।
এদিকে, নি/হ/তে/র ভাই জয়নাল অভিযোগ করেন, যে কক্ষে আ/ত্ম/হ/ত্যা/র কথা বলা হচ্ছে সেটি অত্যন্ত ছোট ও সংকীর্ণ। তাঁর দাবি, ওই কক্ষে আ/ত্ম/হ/ত্যা করা সম্ভব নয়। তাই তিনি বোনের মৃ/ত্যু/কে রহস্যজনক মনে করছেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দুই শিশুসন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎস যশ চাকমা বলেন, "ম/র/দে/হে/র প্রাথমিক আলামত দেখে এটি আ/ত্ম/হ/ত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে ম/য়/না/ত/দ/ন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃ/ত্যু/র প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।"