জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
চন্দনাইশ প্রতিনিধি:-
শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক মহতী প্রয়াসে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা সনদ প্রদান, সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
২৮ আগস্ট (শুক্রবার) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদের পক্ষে প্রতিনিধি অতিথি ছিলেন বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমা। উদ্বোধক ছিলেন ডায়মন্ড সিমেন্টের জিএম, লেখক-গবেষক পরিব্রাজক আলহাজ্ব এম এ রহিম। সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী। প্রধান আলোচক ছিলেন শহীদ হালিম- লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় সচিব সৈয়দ মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আজিম উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মাদ ইলিয়াস, চন্দনাইশ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, চন্দনাইশ প্রেসক্লাবের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মাওলানা সৈয়দ আমান উল্লাহ আমান সমরকন্দী, মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, ফয়জুল্লাহ খতিবী, জেলা প্রতিনিধি আরিফ হোসেন সবুজ, এডভোকেট জসীম উদ্দিন হিমেল, মাওলানা মামুন উদ্দীন সিদ্দিকী, আরমান হোসেন প্রমুখ। শেষে আহ্বায়ক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মেধাবী শিক্ষার্থী ও উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এতে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের পরিচালক মো. রাজিব হোসেন রিফাত। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান অধ্যক্ষ, সুপার, প্রধান শিক্ষক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহ্যবাহী শহীদ হালিম- লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অর্থাৎ বৃত্তি-সনদ-পুরস্কার প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০২৬ উপলক্ষ্যে চন্দনাইশ জোনের পক্ষ থেকে "অগ্রযাত্রা ১৪" নামক একটি মানসম্মত ও দৃষ্টিনন্দন স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এবারে ট্যালেন্টপুল, এ-গ্রেড ও সাধারণ গ্রেড- তিন স্তরে মোট ১১২ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি, সনদ, ম্যাগাজিন, ও সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেয়া হয় যা তাদের আগামীর পথচলায় অনুপ্রেরণা জোগাবে। শিক্ষার্থীদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন করা এবং তাদের মনোবল বৃদ্ধি করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
বক্তারা বলেন, “সঠিক শিক্ষা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি করে।”
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রয়াস ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষার্থীদের উন্নত শিক্ষার সুযোগ করে দিতে তারা নিরলস কাজ করে যাবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভ কামনা জানিয়ে তাদের সফল ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করেন।