শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এনামুল হক এনাম এমপি পটিয়ার হাফেজ শিক্ষার্থীদের জন্য নাহার পার্কে বিনা মূল্যে ভ্রমণের সুযোগ পাহাড়ের শিক্ষায় ই-লার্নিং, আর কোনো বৈষম্য থাকবে না: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার হেলাল বান্দরবান-কেরানীহাট মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা, দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে জনসাধারণ চট্টগ্রাম নগরীতে চু/রি-ছি/নতাই, মা/দক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে কার্যকর ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আবারও উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামফলক সরিয়ে সেখানে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখা বোয়ালখালীতে আগুনে পাঁচ বসতঘর পুড়ে ছাই নোয়াখালীতে গ্রাম আদালত বিষয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসে স্ট্রোকে বোয়ালখালীর ওসমানের মৃত্যু

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের (২৫) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

হাটহাজারী থানার একটি চাঁদাবাজি মামলায় চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের (২৫) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। চাঁদা না পেয়ে এক ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) শুনানি শেষে চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ বলেন, হাটহাজারীর বড়দিঘির পাড় এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্ত্রাসী ইমনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে, গত জুলাই মাসে বড়দিঘির পাড় এলাকার জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। হামলা-বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনি হাটহাজারী থানায় মামলা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় ইমনকে। আদালত প্রাঙ্গণে সকাল থেকে জোরদার করা হয় পুলিশি নিরাপত্তা।

এর আগে, গত ২৯ জুলাই যশোরের কোতোয়ালী এলাকা থেকে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ জুলাই ফটিকছড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারের পরদিন ইমনকে আদালতে হাজির করা হয়। ওই দিন তাকে ফটিকছড়ি থানার একটি হত্যা ও একটি অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে রিমান্ডের আবেদন করা হলে দুই মামলায় ১০ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর হয়ে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে আসা দুজনের একজন ইমন। অন্যজন মোহাম্মদ রায়হান। পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবির জন্য বেশি ফোন করতেন ইমন।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা ইমন। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার বাবা মো. মুসা ওমানপ্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। স্থানীয় লোকজন জানান, স্কুলে পড়ার সময় থেকেই ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় ইমনের। কাঞ্চননগর থেকে সাইকেলে করে ফটিকছড়ি কলেজ মাঠে এসে অনুশীলন করতেন। পরে নগরের অক্সিজেনে খালার বাসায় থেকে নিয়মিত ক্রিকেট প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন। খেলতেন চট্টগ্রাম ব্রাদার্স একাডেমিতে। অনুশীলন করতেন কাজীর দেউড়ি স্টেডিয়ামে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের মাধ্যমে তার দলে যুক্ত হন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews