শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবীর আগমনী বার্তায় মুখর মেধস আশ্রম চন্দনাইশে আরাকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ২২তম আজিমুশশান মাহফিল অনুষ্ঠিত পটিয়ার জলুয়ার দিঘির পাড়ে নোহা-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৩ চট্টগ্রামে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমএস ডব্লিউ এস সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন এস এম ফিরোজ আহামেদ ফজরের নামাজে বেরিয়ে নিখোঁজ, ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু শফিকুলের স্মৃতির সারণি বেয়ে স্মারক হয়ে থাকা সেই বেবীট্যাক্সি —লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ বোয়ালখালীতে বিএনপির ইউপি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন চান ৪৮ জন চন্দনাইশে আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা মতবিনিময় ও প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে মেছো বাঘ ট্রাংকুলাইজ করে উদ্ধার, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে হস্তান্তর

দেবীর আগমনী বার্তায় মুখর মেধস আশ্রম

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

 

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর চণ্ডীপাঠে দেবী দুর্গাকে আবাহনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর ঐতিহাসিক মেধস আশ্রমে উদযাপিত হয়েছে মহালয়া। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে করলডেঙ্গা সন্ন্যাসী পাহাড়ের এ আশ্রমে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহালয়ার আনুষ্ঠানিকতা। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সূচনা হয় দেবীপক্ষের।

সকালে আশ্রমের অধ্যক্ষ ও সেবায়েত শ্রীমৎ দীপানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন করেন। পরে শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠ, চণ্ডীপূজা ও যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। দেবীর আগমনী বার্তা শুনতে সকাল থেকেই আশ্রমে ভিড় করেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। দুপুরে তাঁদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

মহালয়া উপলক্ষে আশ্রমে আসা দর্শনার্থী পুষ্পিতা দে বলেন, ‘মহালয়া আমাদের কাছে ভক্তি ও বিশ্বাসের বিশেষ দিন। এদিন মেধস আশ্রমে এসে চণ্ডীপাঠ শোনা এবং দেবী দুর্গাকে স্মরণ করা অন্য রকম অনুভূতি। দেবীপক্ষের সূচনা আমাদের মনে আনন্দ ও আশার সঞ্চার করে।’

আরেক দর্শনার্থী জয় চৌধুরী বলেন, মেধস আশ্রমের সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। মহালয়ায় ভক্তদের উপস্থিতি ও পূজার আয়োজন ভালো লেগেছে। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে সাহায্য করে।

সনাতন ধর্মীয় আখ্যান অনুযায়ী, রাজ্য হারিয়ে রাজা সুরথ এবং স্বজনদের দ্বারা বিতাড়িত সমাধি বৈশ্য আশ্রয় নিয়েছিলেন মেধস মুনির আশ্রমে। তাঁদের দুর্দশা দেখে মেধস মুনি দুর্গাপূজার পরামর্শ দেন। পরে তাঁর নির্দেশনা অনুসারে মৃন্ময়ী প্রতিমা তৈরি করে দুর্গাপূজা করেন রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য। তাঁদের পূজার কাহিনি দুর্গাপূজার প্রচলনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

গবেষক সচ্চিদানন্দ রায় চৌধুরীর তথ্যমতে, প্রায় ১৪৩ বছর আগে বেদানন্দ স্বামী বিভিন্ন শাস্ত্র অধ্যয়ন ও দৈবক্ষমতার মাধ্যমে এ স্থানকে মেধস মুনির আশ্রম হিসেবে শনাক্ত করেন। এরপর থেকে বোয়ালখালীর করলডেঙ্গা পাহাড়ের এ আশ্রমে মহালয়া উদযাপিত হয়ে আসছে।

ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে মেধস আশ্রম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হওয়ায় দুর্গাপূজাকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews