শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কর্মস্থলে যাওয়ার পথে আমিরাতে লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল বোয়ালখালীর মহসিনের বোয়ালখালীতে প্রথমবার শহীদ আব্দুল গফুর স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা ২৬ ডিসেম্বর শাহবাগে চার দফা দাবিতে আয়োজিত গণবিক্ষোভ সমাবেশে নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী। পটিয়ার বাহুলীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু, পরিচয় শনাক্ত হয়নি বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমির সভাপতি আবু আকতার, সম্পাদক তৌহিদুল মুন্সীগঞ্জে শিশুর মর/দেহ উদ্ধার হাসপাতালে বাবার মৃ/ত্যু বাবার দুই হাত চেপে ধরেন দুই জন আরেক জনে বুকে গুলি করেন পটিয়ায় গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার অডিশন সম্পন্ন বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন আ.লীগের লগি-বৈঠার হামলায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে জামায়াতের মিছিল-সমাবেশ

আইসিইউ সংকটে হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে ৫ মাসের মিশকাতের মৃত্যু

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপের সিএনজি অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ মাজেদুল হক ও তার স্ত্রী রেশমা আকতার ঝুমুরের সংসারে দুই বছর পর এসেছিল একমাত্র সন্তান মিশকাত। পাঁচ মাস আগে ছেলেকে ঘিরে আনন্দে ভরে উঠেছিল পরিবার। ছোট্ট শিশুটিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছিলেন মা-বাবা। কিন্তু সেই স্বপ্ন থেমে গেল মাত্র পাঁচ মাস ১৫ দিনের মাথায়।
গত শুক্রবার (৮ মে) হঠাৎ জ্বর, কাশি ও সর্দিতে আক্রান্ত হয় শিশু মিশকাত। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করা হয়।
চমেকের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করার পরও অবস্থার উন্নতি হয়নি। আইসিইউ বেড খালি না থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে বাইরে কোনো হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। পরে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখান থেকেও রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আবার চমেকে পাঠানো হয়। তখনও আইসিইউ বেড খালি ছিল না।
হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সন্তানকে বাঁচাতে হাসপাতালের এদিক-ওদিক ছুটছিলেন বাবা মাজেদ। অবশেষে মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হলেও আর শেষ রক্ষা হয়নি। দুপুর ১টা ৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক পাঁচ মাস ১৫ দিনের শিশু মিশকাতকে মৃত ঘোষণা করেন।

মিশকাতের মামা রিপন জানান,আছরের নামাজের পর চরণদ্বীপের নিজ বাড়িতে বাবার কোলেই শেষবারের মতো আনা হয় ছোট্ট মিশকাতকে। পরে মসজিদ মাঠে জানাজার নামাজ শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা মাজেদুল হক ও মা রেশমা আকতার ঝুমুর। সন্তানের শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন মা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
শিশু মিশকাতের বাবা মাজেদ বলেন, “একবারও বাবা ডাক শুনতে পারলাম না। ছেলেটাকে বাঁচানোর জন্য সব জায়গায় ছুটেছি। কিন্তু আল্লাহ আমার সন্তানকে নিয়ে গেল।”

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews