বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পটিয়ায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ভাটিখাইন ইউনিয়ন ৪-২ গোলে হারালো কাশিয়াইশ ইউনিয়নকে জনসচেতনতার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটাতে হবে রিয়াযুল উলুম বালক-বালিকা মাদ্রাসায় কুরআন মাজিদের সবক প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন কানুনগোপাড়া ড. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী পটিয়ায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়াটার ফাইনালের দ্বিতীয় আসরে সম্পন্ন রাউজানে ৮২টি অসচ্ছল হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে চিকিৎসা খরচ, ঢেউটিন ও চাউল বিতরণ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অবরোধ কর্মসূচি পালন টাঙ্গাইলে গৃহবধূ নাজমা আলম হত্যায় মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার চসিকের ইতিহাসে একক খাত থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায় বোয়ালখালী পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৪১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

কোরবানির ঈদে আলোচনায় নূর খাতুনের ৭ লাখ টাকার ‘কালাইয়া’

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:

স্বামীর মৃত্যুর পর সংসারে নেমে আসে অভাব-অনটন। কিন্তু দমে যাননি চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর নূর খাতুন। ৭০ বছর বয়সে এসেও তিনি গড়ে তুলেছেন সফল ডেইরি ফার্ম। এখন তার খামারে রয়েছে গাভী, ষাঁড়, বাছুর ও ছাগল। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে প্রস্তুত করেছেন ৭টি ষাঁড়, যার মধ্যে আলোচনায় রয়েছে প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের ‘কালাইয়া’।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদন্ডী চরখিজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা নূর খাতুন। তার স্বামী জানে আলম চট্টগ্রাম বন্দরে মাঝির কাজ করতেন। প্রায় আট বছর আগে স্বামীর মৃত্যু হলে সংসারের হাল ধরতে হিমশিম খেতে হয় তাকে। তিন ছেলে স্বল্প আয়ে নিজেদের পরিবার চালাতেই কষ্টে ছিলেন। এর মধ্যেই নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখেন নূর খাতুন।
তিন বছর আগে বড় ছেলেকে গরু পালনের পরামর্শ দেন তিনি। ছেলে একটি বাছুর কিনে দিলে সেটির দেখভালের দায়িত্ব নেন নিজেই। সেই ছোট উদ্যোগই আজ বড় খামারে রূপ নিয়েছে। নিজের বাড়িতেই প্রতিষ্ঠা করেছেন “খাজা গরীবে নেওয়াজ ডেইরি ফার্ম”।
বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ৭টি ষাঁড়, ৭টি গাভী, ৬টি বাছুর ও ৩টি ছাগল। গাভী থেকে প্রতিদিন ২০ থেকে ২২ লিটার দুধ পাওয়া যায়। দুধ বিক্রি করেও আয় হচ্ছে নিয়মিত।
এবারের কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৭টি ষাঁড়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ কালো রঙের একটি ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘কালাইয়া’। প্রায় দেড় বছর বয়সী এই ষাঁড়টির ওজন প্রায় ৭০০ কেজি। বিশাল আকৃতির হওয়ায় এটিকে সামাল দিতে লাগে ৬ জন শক্তিশালী মানুষ।
নূর খাতুন জানান, নিজের পালন করা গাভীর বাছুর বড় করেই তিনি খামার গড়ে তুলেছেন। গরুকে খাওয়ানো হয় কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, ধানের কুড়া, ভূষি ও ভুট্টার গুঁড়া। ‘কালাইয়া’র দাম তিনি চেয়েছেন ৭ লাখ টাকা। ভালো দাম পেলে বিক্রি করবেন বলে জানান তিনি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুমন তালুকদার বলেন, নূর খাতুনের মতো নারী উদ্যোক্তারা সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা। তারা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও উৎসাহিত করছেন।
তিনি আরও জানান, বোয়ালখালী উপজেলায় এবার কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ২৪ হাজার ১৯০টি। অথচ উপজেলার প্রায় ৮০০ খামারে প্রস্তুত রয়েছে ৩১ হাজার ১৬২টি পশু, যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ৬ হাজার ৯৭২টি বেশি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews