1. info@www.dainikdeshbarta.net : দৈনিক দেশ বার্তা :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার চন্দনাইশ প্রেসক্লাব (১৯৮৪) নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় বোয়ালখালী সদরে পাবলিক টয়লেটের অভাবে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ ও ধলই ইউনিয়নে ভূমি সংক্রান্ত তথ্য, পরামর্শ ও অভিযোগ বিষয়ক গণশুনানি ভয়ভীতি নয়, বোঝাপড়ায় গড়ুক আগামী প্রজন্ম—চট্টগ্রামে অভিভাবকদের করণীয় জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬টি কমিটি করে দিলেন চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন, বোয়ালখালীতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, চুরি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জোর ২০৮ প্রবাসী জুলাইযোদ্ধার প্রত্যেককে কেন ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগের পোশাকেই ফিরছে পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ইয়েমেন উপকূলের কাছে সোমালি জলদস্যুরা একটি তেলবাহী জাহাজ ছিনতাই হেয়ার কাট’ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে আজও ব্যাংকে তালা ঝুলিয়েছেন গ্রাহকরা

জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬টি কমিটি করে দিলেন চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন,

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ফরহাদ, চট্টগ্রাম ব্যুরো।

চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৬টি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, পরিচ্ছন্ন বিভাগ, তদারকি কর্মকর্তা ও ওয়ার্ডভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিয়ে সমন্বয় সভা করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সভায় বিভিন্ন খাল, ড্রেন, কালভার্ট, সংযোগ নালা, সড়ক ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। কমিটিগুলোর সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান।

কমিটিগুলো হল হিজরা খালের জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা কল্লোল দাশ। জামাল খান খাল ও হিজরা খালের জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা কল্লোল দাশ।

রামপুর খালের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, নির্বাহী প্রকৌশলী তাসমিয়া তাহসিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা আলী আকবর।
গুলজার খালের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, জোন কর্মকর্তা জাহেদুল্লাহ রাশেদ।
মনোহরদি খালের জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান,মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ।
চাঁদগাঁও-মুরাদপুর এলাকার জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) ফরহাদুল আলম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মৌমিতা দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, মাহমুদ শাফকাত আমিন,পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা আবু তাহের।ওয়াসার সাথে সমন্বয় সাধন করবেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন এবং প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান। জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকৌশলগত সার্বিক কার্যক্রমে পরামর্শ দিবেন প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।
সভায় মেয়র বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে এখন আর কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, কোন খাল বা ড্রেন বন্ধ রয়েছে, কোথায় বাঁধ বা নির্মাণসামগ্রী পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছে—এসব দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে।
সভায় মেয়র বিশেষভাবে চাকতাই, মুরাদপুর, রামপুরা খাল, আজম পাহাড় খাল, গাউছিয়া রোড, রুপসা বেকারি এলাকা, গুলজারখাল ও মাদারবাড়ি এলাকার জলাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি জানান, অনেক স্থানে খাল ও ড্রেনে নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকায় পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি।
রামপুরা ও আজববাহার খাল এলাকার বিষয়ে মেয়র বলেন, “আমি নিজের চোখে দেখেছি মানুষ কত কষ্টে আছে। খালের মুখে নির্মাণসামগ্রী পড়ে আছে, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। বর্ষার আগে অন্তত অস্থায়ীভাবে হলেও জনগণের চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। কিছু কাজ বর্ষার আগে টেম্পোরারি বেসিসে হলেও করতে হবে। পরে সেটা নষ্ট হলেও জনগণের স্বার্থে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে।
সভায় পরিচ্ছন্ন বিভাগের কার্যক্রম নিয়েও কঠোর অবস্থান নেন মেয়র। তিনি জানান, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে সেবকদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করা হবে। যারা ঠিকমতো কাজ করে না—তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের কাজ দরকার। শহর সুন্দর রাখতে হলে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ৩ হাজার রেইনকোট সরবরাহ করা হবে এবং প্রয়োজনে নতুন কর্মী নিয়োগও দেওয়া হবে।
সভায় বিভিন্ন জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার জন্য পৃথকভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিনে গিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মেয়র।
সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, প্রকৌশলীবৃন্দ এবং পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ মতামত প্রদান করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট