শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারী নিহতের ঘটনায় যুবদল নেতাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা কর্নফুলীতে ব্যবসা করতে হলে ৫০% চাঁদা দিতে হবে পুলিশের সামনে হামলা। বোয়ালখালীতে পুকুরে ডুবে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন রাজনৈতিক জোকার ওবায়দুল কাদের -চীফ প্রসিকিউটর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের (২৫) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, পটিয়া ও বোয়ালখালীতে ট্রাফিক সচেতনতামূলক বিশেষ কার্যক্রম হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্টোর কিপার এক মাসের ছুটি নিলেও দুই মাসেও ফেরেনি কর্মস্থলে চন্দনাইশে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ আহত-৭ বোয়ালখালীতে বিদেশি মুদ্রা দেখিয়ে প্রতারণা, খোয়া গেল ৩ হাজার টাকা

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে শিশু চিকিৎসায় ভোগান্তি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

 

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ শিশু নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন একাধিক অভিভাবক।
শনিবার (৯ মে) সকাল ১১টার পর উপজেলার আহলা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়নের শেখ চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা মো. ইনাম উদ্দিন তার এক বছরের কন্যা শিশু রুহিকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। কয়েকদিন ধরে জ্বর, কাশি ও সর্দিতে ভুগছিল শিশুটি।
ইনাম উদ্দিন জানান, বহির্বিভাগ থেকে তিন টাকার টিকিট নিয়ে তাকে ৯ নম্বর কক্ষে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ১৫ জনের বেশি রোগী শিশু নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর জানতে পারেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক নাস্তা করতে গেছেন। প্রায় আধাঘণ্টা পর চিকিৎসক এসে টিকিট দেখে তাকে ১০ নম্বর কক্ষে পাঠান।
১০ নম্বর কক্ষে চিকিৎসক শিশুটিকে দেখে এক্স-রে করার জন্য দ্বিতীয় তলায় পাঠান। কিন্তু ঠিক সেই সময় বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রায় ২০ মিনিট পর বিদ্যুৎ এলেও দায়িত্বরত কর্মী জানান, মেশিন চালু হতে আরও আধাঘণ্টা সময় লাগবে।
এদিকে অসহনীয় গরমের মধ্যে এক্স-রে করাতে ১২ জনের বেশি শিশু নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন অভিভাবকেরা। অধিকাংশ শিশুই ছিল জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত এবং অনেকের বয়স এক বছরেরও কম।
অনেক অপেক্ষার পর এক্স-রে সম্পন্ন করে রিপোর্ট নিয়ে নিচে ১০ নম্বর কক্ষে গেলে সেখানে চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। পরে ৯ নম্বর কক্ষের এক চিকিৎসকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আসলেও আসতে পারে।”
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অনেক অভিভাবক চিকিৎসা না নিয়েই শিশুদের নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
রুহির বাবা মো. ইনাম উদ্দিন বলেন, “আমরা গরিব মানুষ বলেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসি। কিন্তু এখানে এসে ডাক্তারের অবহেলা দেখে খুব কষ্ট লাগে। মনে হয় গরিব হয়ে জন্ম নেওয়াটাই অপরাধ।”
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার নানা প্রচার দেখা গেলেও বাস্তবে গরিব মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। তিনি একটি কোম্পানিতে স্বল্প বেতনে সেলসম্যানের চাকরি করেন বলেও জানান।
হাসপাতালে আসা আরও কয়েকজন অভিভাবক জানান, প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ শিশুদের নিয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। এতে শিশুরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি বলেন, “দুপুর ২টা পর্যন্ত বহির্বিভাগে টিকিট দেওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা সকাল ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত রোগী দেখেন। এরপরও টিকিট নেওয়া শিশু রোগীদের সেবা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews