
বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
শিশু শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য চুমু দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের শিক্ষকতার সনদ কেড়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মামুনুল হক মামুন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি এ দাবি জানান।
ফেসবুক পোস্টে ডা. মামুনুল হক মামুন লেখেন, “যেসকল হুজুর নামধারী কুলাঙ্গার, শিক্ষক নামধারী বাটপার এখনো মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে যে- বাচ্চা বাচ্চা শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য চুমো দেয়া যেতেই পারে, তাদের সকলের শিক্ষকতা সনদ কেড়ে নেয়া হোক। তারা এখনো শিক্ষা দেয়ার লেভেলেই পৌঁছাতে পারেনি, সেই পথ এখনো বহুদূর।”
তিনি আরও লেখেন, “হয়ত ভালমতন তদন্ত করলে এদের মধ্যেই অনেক পেডোফাইল খুঁজে পাওয়া যাবে।”
শিশু শিক্ষার্থীদের চুমু দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের উৎসাহ দেওয়ার অজুহাতে এমন আচরণের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের শিক্ষকতার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে, টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
গত ২১ অক্টোবর শিশুটির বাবা ও স্বজনরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মুসলেউদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তিনি শিশুটিকে অশালীনভাবে স্পর্শ করার কথা স্বীকার করেন বলে জানা গেছে। এ সময় শাহজালাল রুমি নামের এক ব্যক্তি তাঁকে থাপ্পড় দেন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।