
আঞ্চলিক এলাকা বা টেরিটরি (Territory) ভাগ করা কুকুরের একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ও সহজাত প্রবৃত্তি। বন্য পূর্বপুরুষদের (নেকড়ে) কাছ থেকে পাওয়া এই স্বভাবের মাধ্যমে কুকুর মূলত নিজের এলাকা রক্ষা করে, খাবার ও সঙ্গীর অধিকার বজায় রাখে এবং অন্য প্রাণীদের সতর্ক করে।
কুকুর যেভাবে তাদের এলাকা ভাগ এবং চিহ্নিত করে, তার প্রধান উপায়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
এলাকা চিহ্নিত করার উপায়
প্রস্রাবের মাধ্যমে (Urine Marking): এটি কুকুরের এলাকা ভাগ করার প্রধান উপায়। প্রস্রাবের গন্ধের মাধ্যমে কুকুর অন্য কুকুরদের নিজের বয়স, লিঙ্গ এবং প্রজনন ক্ষমতা সম্পর্কে বার্তা দেয়। উঁচু স্থানে (যেমন: দেয়াল, ল্যাম্পপোস্ট, গাড়ির চাকা) প্রস্রাব করার চেষ্টা করে যাতে গন্ধ বাতাসে বেশি ছড়ায়।
পায়ের আঁচড় (Scratching the Ground): প্রস্রাব বা মলত্যাগের পর কুকুর অনেক সময় পা দিয়ে মাটি বা ঘাস আঁচড়ায়। কুকুরের পায়ের তালুতে গন্ধ গ্রন্থি (Scent glands) থাকে, যা মাটিতে গন্ধ ছেড়ে যায়। একই সাথে এটি একটি ভিজ্যুয়াল বা দৃশ্যমান সংকেতও বটে।
ঘষাঘষি করা (Rubbing): নিজের শরীর, মুখ বা গলা বিভিন্ন দেয়ালে বা বস্তুতে ঘষে কুকুর তার গায়ের গন্ধ ওই এলাকায় রেখে যায়।
কুকুরের এলাকা ভাগ করার কারণ
নিরাপত্তা ও অধিকার: নিজের থাকার জায়গা এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখা।
যোগাযোগ: এলাকার অন্য কুকুরদের সাথে সরাসরি মারামারি না করে গন্ধের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা
উদ্বেগ বা ভয়: অনেক সময় নতুন পরিবেশে কুকুর নিজেকে নিরাপদ মনে না করলে চারপাশ প্রস্রাব দিয়ে চিহ্নিত করে নিজের পরিচিত গন্ধ তৈরি করার চেষ্টা করে।
মূলত এলাকা ভাগ করা এখন মানুষের পেশা হয়ে গেছে। কে কোন এরিয়ার লিডার সেটা জানান দেয় বিভিন্ন শো ডাউনের মাধ্যমে আবার কে কোথায় চাঁদা তুলবে কোথায় কার আধিপত্য চলবে কিংবা কারা অনধিকার চর্চা করতে পারবেনা।
এলাকার ভাই, এলাকার নেতা, এলাকার স’ন্ত্রাসী, এলাকার কিশোর’গ্যাং সবাই যার যার এলাকায় কুত্তা সাজে। অন্য এলাকায় গেলেতো ঘেউঘেউ শুনবে। কুকুরের স্বভাব মানুষের মধ্যে যখন এসে পড়বে স্বাভাবিক ভাবে সে কুকুরের মতো আচরণ করবে।
আমরা কবেই জানোয়ার হয়ে গেছি নিজেও জানিনা তানাহলে আজ ছোট শিশু ধ’র্ষণ হয়, আমাদের সন্তান বলাৎকার হয়, আমাদের জীবন টুনকু হয় কোন ছিনতাইকারীর হাতে। আমরা মানুষ না হয়ে পশু হলে হয়তো ভালো হতো। দু পা ওয়ালার চেয়ে চার পা ওয়ালা তো অনেক ভালো। কেমন লাগে মা মেয়েকে ধ’র্ষণ করেছে শুনলে। স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে দলবেঁধে…..।
কেউ কেউ বলে ক্রস ফা’য়ার দেয়না কেন? বলতে ভুলে গেছি আমরা মানবিকতো তাই। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে এমন ব্যক্তিকে কেন কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সত্য মিথ্যা দিয়ে আমরা বাচাতে চাই। কারণ আমরা মানবিক। কেন তাদের বিচার তৎক্ষনাৎ হবেনা। কেন প্রাণের বদলে প্রা’ণ নেওয়া হবেনা? অনেকেই বলবে আমি অমানবিক! যাদের মন আছে তারা এ সমাজের কীট হয়ে বেঁচে থাকতে পারে। যারা হারিয়েছে তারা বেঁচে থেকেও মরার মতো।
বাকীটা প্রতিদিনের খবরে অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানতে পারবেন।