শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপে ফিফার আয়ে জোয়ার বড় অংকের লভ্যাংশ পাচ্ছে বাংলাদেশ পটিয়ায় বন্যাদুর্গত এক হাজার পরিবারের পাশে এমপি এনামুল হক এনাম, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনের আশ্বাস গ্রাম পুলিশকে মারধর করে মাথাফাটালো দুর্বৃত্তরা বোয়ালখালীতে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার এসিড পান করে প্রাণ গেল স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বোয়ালখালীতে প্রাক্তন রোভার স্কাউট এসোসিয়েশনের ত্রাণ বিতরণ চন্দনাইশে বন্যা পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কৃষক পর্যায়ে চারা উৎপাদন কর্মসূচির উদ্বোধন অধ্যাপক ইসহাক উদ্দিন চৌধুরী’র স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সিবিপি চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে ডা. চন্দন দাশের শোকসভা অনুষ্ঠিত বাঁশখালীতে পানিবন্দী মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

বিশ্বকাপে ফিফার আয়ে জোয়ার বড় অংকের লভ্যাংশ পাচ্ছে বাংলাদেশ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

উরুগুয়ের মাটিতে ১৯৩০ সালে ফুটবলের প্রথম মহোৎসবে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। সময়ে সময়ে সেই বেড়ে ২০২৬-এ ৪৮। দীর্ঘ ২২টি আসর পেরিয়ে ২৩তম আসরে এসে আবার রূপ বদলেছে ফুটবলের ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। এবার বিশ্বমঞ্চের টিকিট পেয়েছে ৪৮টি দেশ। দল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিফার আয়ের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি আকাশ ছুঁয়েছে প্রাইজমানির অঙ্কও। আর ফিফার এই উপার্জনের ভাগীদার হতে যাচ্ছে বাংলাদেশও।

এবারের আসরে সব মিলিয়ে প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত আসরের চেয়ে প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট থেকে অর্জিত লভ্যাংশের একটা বড় অংশ বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা) তাদের সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে বণ্টন করে দেয়। ফলে বিশ্বকাপ শেষ হতেই দেশের ফুটবলের গভর্নিং বডি বা গেম ডেভেলপমেন্টের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

ফিফার এই অর্থ বণ্টন নীতি নিয়ে দেশের সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, ‘এই বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে অর্থ আয় করবে, তার একটি অংশ বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীর সব মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনই পাবে। মূলত ফিফার আয়ের মূল লক্ষ্যই থাকে তাদের মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে সাহায্য করা।’

দলসংখ্যা বাড়ানোর ইতিবাচক দিক তুলে ধরে তিনি আরো যোগ করেন, ‘যখন দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়, তখন অন্য দলগুলোও উৎসাহিত হয় এই ভেবে যে—আমাদেরও হয়তো সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া কিংবা আফ্রিকার দিকে তাকালে এটা স্পষ্ট। দলের সংখ্যা যেহেতু বাড়ছে, কোয়ালিফাই করার প্রতিযোগিতাও এখন অনেক বেশি।’

এবারের বিশ্বকাপে টাকার ঝনঝনানি কতটা, তা স্পষ্ট দলগুলোর প্রাপ্তির খতিয়ান দেখলেই। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই ট্রেনিং ক্যাম্প ও যাতায়াত খরচ বাবদ শুরুতেই পেয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার করে। এরপর মাঠের লড়াইয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পকেটে পুরেছে আরো ১০ মিলিয়ন ডলার করে (সব মিলিয়ে সাড়ে ১২ মিলিয়ন)।

পরের ধাপগুলোতেও টাকার অঙ্কটা বেড়েছে জ্যামিতিক হারে। দ্বিতীয় রাউন্ডে থমকে যাওয়া দলগুলো পেয়েছে ১২ মিলিয়ন এবং রাউন্ড অব সিক্সটিন বা শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর ঝুলিতে গেছে ১৬ মিলিয়ন ডলার করে। কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চ থেকে ছিটকে পড়া চার দল পেয়েছে ২০ মিলিয়ন ডলার করে। এ ছাড়া সান্ত্বনার লড়াইতে চতুর্থ হওয়া দল পাবে ২৭ মিলিয়ন এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২৯ মিলিয়ন ডলার। ফাইনালের রানার্সআপ দল পাবে ৩৩ মিলিয়ন, আর বিশ্বজয়ের সোনালি ট্রফিতে চুমু আঁকা চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ থাকছে রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews