1. info@www.dainikdeshbarta.net : দৈনিক দেশ বার্তা :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্বশুরবাড়ি থেকে সন্তানসহ ফারহানা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান সারাদেশে আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘হাম-রুবেলা বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬’ অন্তবর্তী সরকারের সময়ে ইসলামী ধারার ছয়টি ব্যাংকের কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন এসএসসি ৯৪ ব্যাচের আবাসন প্রকল্প ৯৪ পল্লী শুভ উদ্বোধন চন্দনাইশে লায়ন্স ক্লাবের দিনব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রথম বারের মতো ফেনীতে আসছে টিম বৃষ্টি। সর্বজনীন শ্রী শ্রী বজরংবলী পূজা কমিটি ফেনী মে দিবস উপলক্ষে পরিবহন শ্রমিকদের প্রস্তুতি সভা, বৈষম্য দূর না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি। বোয়ালখালীতে রাশেদ প্রধানের বক্তব্যের প্রতিবাদে তার ছবিতে জুতা নিক্ষেপ মানবতার ফেরিওয়ালা সংগঠনের ৩য় বর্ষপূর্তি ও বৃত্তি–সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

শ্বশুরবাড়ি থেকে সন্তানসহ ফারহানা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে সন্তানসহ ফারহানা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ননদ, শাশুড়ি ও ভাসুরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লোহাগড়া প্রেসক্লাবে একমাত্র কিশোর সন্তানকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে গৃহবধু ফারহানা আক্তার বলেন, ২০০৯ সালে লক্ষ্মীপাশা গ্রামের মৃত রুহোল মোল্লার ছেলে মো. মুকুল মোল্লার সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ননদ, শাশুড়ি ও ভাসুর তাকে যৌতুকের জন্য সীমাহীন চাপসহ বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এ অবস্থায় বিয়ের এক বছর পরে ফারদিন নামে এক পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। যার বয়স এখন (১৪) বছর। সে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তিনি আরও বলেন, জীবিকার তাগিদে আমার স্বামী বিভিন্ন সময়ে একেক স্থানে চাকরি করেছেন। সর্বশেষ লোহগড়া পৌর এলাকার রামপুর নিরিবিলি পিকনিক স্পটে টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ নেন। গত ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট কর্মস্থলে দর্শনার্থীদের সাথে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বাড়ি এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সে সময় যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

ফারহানা আক্তার বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানসহ শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করলেও গত ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ননদ রিনা পারভিন, সুমি বেগম, শাশুড়ি লিলিয়া বেগম, ভাসুর বাবুল মোল্লা পরস্পর যোগসাজশে সন্তানসহ আমাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। আমার ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী রেখে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়।

তিনি জানান, বর্তমানে তিনি একমাত্র সন্তান ফারদিন মোল্লাকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। সন্তানের পড়াশোনা, বাসাভাড়া ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। সহানুভূতির ভিত্তিতে লোহাগড়ার নিরিবিলি পিকনিক স্পটে স্বল্প বেতনে চাকরি দিয়েছে মালিকপক্ষ। সেখান থেকেও তাড়ানোর জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে।

স্বামীর বসতভিটায় ফিরে যেতে আইনগত অধিকার অনুযায়ী বসবাসের সুযোগ ও প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সমাজের সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন ফারহানা আক্তার।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট