
দুবাই প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই-এর সাবেক ওয়েলফেয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. হানিফ খোকনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে দাবি করেছে কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ১১টার দিকে “Md Hanif Khokon” নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশিত ভিডিও বার্তা ও পৃথক লিখিত পোস্টে মো. হানিফ খোকন অভিযোগ করেন, চাকরিচ্যুত হওয়ার পর তার রেসিডেন্স ভিসা বাতিলে দীর্ঘ প্রশাসনিক বিলম্বের কারণে তিনি আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। একই সঙ্গে তিনি কনস্যুলেটের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগও উত্থাপন করেন।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলে কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানান যে, হানিফ খোকনের প্রচারিত বক্তব্যের সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার কোনো মিল নেই। তার দাবি, মো. হানিফ খোকনকে বর্তমান সময়ে নয়, বরং অসদাচরণ, দায়িত্বে অবহেলা এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে কনস্যুলেটের চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।
কনসাল জেনারেল আরও বলেন, চাকরি থেকে অপসারণের পর কনস্যুলেটের স্পনসরকৃত কনস্যুলার আইডি ও এমিরেটস আইডি ফেরত দেওয়ার জন্য জনাব খোকনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। ফলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
বর্তমানে আইডিগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। উপরন্তু বর্তমানে তার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি কনস্যুলেটকে চাপ প্রয়োগ করে সুবিধা আদায় করতে চাইছেন। পাশাপাশি চাকরিচ্যুত হওয়ার পরও প্রায় দুই বছর সরকারি পরিচয়পত্র নিজের কাছে রেখে কনস্যুলেটের নাম অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা নিশ্চিত করতে সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কনস্যুলেটের প্রতিটি প্রশাসনিক কার্যক্রম বাংলাদেশ সরকারের বিধি-বিধান, কূটনৈতিক নীতিমালা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়। কোনো বিষয়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।